উপবৃত্তি:"""""""""""""অস্পষ্ট নির্দেশনা আর অমানবিক কষ্ট:নীতিমালা আছে কিন্তু নীতিমালার আলোকে স্পষ্ট নির্দেশনা নেই।একেক সময় একেক নির্দেশনা আসছে।এমনকি নীতিমালার বাহিরেও নির্দেশনা আসছে।কাজ করতে গিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।অনেক প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর নেই।:প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ২০ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে উপবৃত্তির নতুন পরিপত্র জারী করে।পরিপত্রের কোথাও ২০১৫ সালের কথা উল্লেখ নেই। অথচ পুরোনো তালিকা,চাহিদা ও কার্ড বাতিল করে ২০১৬ সালের পরিপত্রঅনুযায়ী ২০১৫ সালের তালিকা ও চাহিদা তৈরির কথা বলা হয়েছে।পুরোদমে কাজও চলছে।নতুন পরিপত্র অনুযায়ী পুরোনো কর্ম বাস্তবায়ন এর আগে আর হয়েছে কিনা আমার জানা নেই।:বকেয়া মাত্র দুই কিস্তির জন্য তৈরি করতে হবে ৩সেট তালিকা ও ৩সেট চাহিদা। ২০১৫ ও ২০১৬ সাল মিলিয়ে তৈরি করতে হবে ৬সেট তালিকা ও ৬ সেট চাহিদা। ৬ সেট তালিকায় আনুমানিক ন্যুনতম (৩০০+৩০০) ৬০০ পরিবারের ১৮০০ যৌথ ছবি লাগবে।কার্ডে লাগবে আরো ১২০০ ছবি।গড়ে প্রতি স্কুলের ছবি খরছ লাগবে ১৮,০০০/- থেকে ২০,০০০/- টাকা,যা অভিভাবকদের দিতে হবে। সমাপনী পরীক্ষার্থী সহ ৬০০ পরিবারের NID নম্বরসহ মোট ৬ সেট তথ্য প্রস্তুত করতে হবে।পাশ করে চলে যাওয়া প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরিক্ষার্থীদের হাদিস মেলানো অনেক কঠিন।এসব কাজের পাশাপাশি ১ম সাময়িক পরীক্ষার উত্তরপত্র মুল্যায়ন,ফলাফল ও ডি আর তৈরির কাজও শেষ করতে হবে।মাঠ পর্যায়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় শিক্ষকদেরকষ্ট আর বিড়ম্বনার শেষ নেই।আশা করি নতুন পরিপত্রের আলোকে দ্রুত সুস্পষ্ট ও পরিচ্ছন্ন ব্যাখা আসবে অথবা পরিপত্র সংশোধনের মাধ্যমে সকল বিভ্রান্তি দূর করা হবে।
0 মন্তব্যসমূহ