তিন বছরের বেশি পুরনো কাগজপত্র চাওয়া যাবে না
সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন আবেদন নিষ্পত্তি
সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। নিয়ম ভঙ্গ করে পেনশনভোগীদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সিএজি অফিস বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে অহেতুক বিলম্ব করছে। এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে। এ হয়রানি রোধ করতে অর্থ মন্ত্রণালয় এ নির্দেশ দিয়েছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়।
পরিপত্রে বলা হয়- ‘লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কোনো কেনো মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দফতর/সংস্থা/সিজিএ কার্যালয় কর্তৃক সরকারের ওই আদেশের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমগ্র চাকরিজীবনের রেকর্ড/কাগজপত্র পেনশনারের কাছে চাওয়া হচ্ছে। যা অভিপ্রেত নয়। ফলে পেনশনারদের হয়রানির পাশাপাশি পেনশন কেসগুলো নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা সৃষ্টি হচ্ছে। যা কোনো অবস্থাতেই কাম্য নয়।’
এ পরিস্থিতিতে উল্লিখিত আদেশের ২.০৬(ক) বিধান অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর এলপিআরে যাওয়ার তারিখের পূর্ববর্তী ৩ বছরের রেকর্ড/না-দাবি প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে পেনশন আবেদন নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেয়া হয়। ওই ৩ বছরের আগের কোনো কাগজপত্র/রেকর্ড/না-দাবি প্রত্যয়নপত্র পেনশনারের কাছে চাওয়া যাবে না বলে পরিপত্রে পরিষ্কার বলা হয়েছে।
অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহজাহান খান স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী পিআরএলে যাওয়ার ৩ বছর আগের কোনো কাগজপত্র, রেকর্ড বা না-দাবি প্রত্যয়নপত্র তার কাছে চাওয়া যাবে না।
সেখানে আরও বলা হয়, ‘অবসরগ্রহণকারী সরকারি চাকরিজীবী এবং তাদের মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবারের পেনশন আবেদন দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তির জন্য ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি এক স্মারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এতে বলা হয়েছিল, বেসামরিক সরকারি কর্মচারীদের পেনশন মঞ্জুরি ও পরিশোধ-সংক্রান্ত বিধি/পদ্ধতি অধিকতর সহজীকরণ আদেশ, ২০০৯ জারি করা হয়। ওই আদেশের ২.০৬(ক) অনুচ্ছেদে বিধান রয়েছে- এলপিআরে যাওয়ার আগের ৩ বছরের রেকর্ডের ভিত্তিতে তাহার কাছে সরকারের দেনা/পাওনা অগ্রিম হিসাব করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে না-দাবি প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করবেন।
0 মন্তব্যসমূহ