কুলাউড়ার উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব মোঃ শরিফ উল ইসলাম-কে প্রথম দেখেছিলাম নাগরিক সেবায় উদ্ভাবন বিষয়ক ৫ দিনের ওয়ার্কশপে। তিনি এবং তাঁর কয়েকজন সহকর্মী উদ্ভাবনী আইডিয়া হিসাবে মোবাইলের মাধ্যমে ছাত্রীদের উপবৃত্তির অর্থ বিতরণ এক্সপেরিমেন্ট/পাইলট করতে চান। উৎসাহ দিয়েছিলাম, সাথে শঙ্কাও প্রকাশ করেছিলাম। আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেছিলেনঃ ‘পারব স্যার’ এবং পেরেছেনও। মোবাইলের মাধ্যমে উপবৃত্তির অর্থ বিতরন এখন একটি স্বীকৃত প্রক্রিয়া।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজিত উদ্ভাবন পাইলটসমূহ পর্যালোচনা বিষয়ক ২৫.৬.২০১৬ তারিখের ওয়ার্কশপে অনেকের মধ্যে তাঁর সাথেও দেখা হল। এর আগে ও পরে মোট ৭টি সেক্টরের রিভিউ ওয়ার্কশপে উপস্থিত থেকে ব্যক্তিগতভাবে আমার একটি সুখানুভূতি হয়েছে এটি প্রত্যক্ষ করে যে, অনেক কর্মকর্তা তাঁর প্রাথমিক পাইলটটি শেষ করে নিজ থেকেই পরবর্তী আইডিয়া নিয়ে নতুন উদ্ভাবনী পাইলটিং শুরু করেছেন। জনাব শরিফ উল ইসলাম তাঁদের একজন। ওয়ার্কশপের মাঝে আলাদা করে সময় চেয়ে নিয়ে তাঁর নতুন উদ্যোগটি সম্পর্কে একান্তে ব্রিফ করলেন। উদ্যোগের নামঃ ‘আমার স্বপ্ন আমার স্কুল’। ক্যাচমেন্ট এলাকা, বিদ্যালয় পর্যায় এবং উপজেলা পর্যায় -এ তিনটি ক্ষেত্রে সমন্বিত ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়ন এ উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। ইতোমধ্যে বেশ অগ্রগতি হয়েছে এবং এর সুফলও আসতে শুরু করেছে। অভিভূত হবার মত এবং একটি মডেল হিসাবে অন্যত্র রেপ্লিকেট করার মত উদ্যোগ! সিদ্ধান্ত নিলামঃ সময় পাওয়ামাত্রই ইনোভেশন পেইজে শেয়ার করব। অত্যন্ত সুন্দরভাবে বিষয়টি তিনি পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইড এবং পিডিএফ আকারে ডকুমেন্ট করেছেন, যা বিস্তারিত অবগতির জন্য এখানে সংযুক্ত করছি। বন্ধের পরপর সুযোগ খুঁজব একবার সরেজমিনে এ চমৎকার উদ্যোগটি দেখে আসার। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এ উদ্যোগটি খতিয়ে দেখতে পারে।
0 মন্তব্যসমূহ